‘আমিতো ঘটনার সময় হলেই ছিলাম না, বহিষ্কার কেন?’

0
13

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগ সভাপতি ইশরাত জাহান ইশাকে হেনস্তার ঘটনায় সংগঠন থেকে বহিষ্কার করার কারণ জানতে চেয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক ও কবি সুফিয়া কামাল হলের সাবেক সভাপতি খালেদা হোসেন মুন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে করে তিনি এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে মুন বলেন, কবি সুফিয়া কামাল হলের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু সেই তদন্ত কমিটি আমার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি। আমার কোনো বক্তব্যও নেয়নি। ফলে আমি দোষী না নির্দোষ বা আমি কি দোষ করেছি তা নিয়ে অন্ধকারে রয়েছি।

ঘটনায় প্রকৃত যারা দোষী আমি তাদের শাস্তি দাবি করছি। কিন্তু যে ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই সেখানে একটি অসম্পূর্ণ তদন্ত আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে অগঠনতান্ত্রিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে জাতির জনক ও শেখ হাসিনার আদর্শের ছাত্রলীগ নিয়ম না মেনে আমাকে কীভাবে বহিষ্কার করা হলো তার জবাব বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে দিতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি ঘটনার সময় হলেই ছিলাম না। দীর্ঘ এক বছর ধরে হলের বাইরে আছি। কীভাবে আমার সম্পৃক্ততা পেয়েছে আমি জানি না। একটি মেয়ে ভারতে থেকেও বহিষ্কার হয়েছে। অনেকের বিভাগের নাম ভুল রয়েছে। অনেকের পূর্ণ নাম উল্লেখ করা হয়নি। তাহলে কীভাবে কমিটি তদন্ত করলো?

উল্লেখ্য, ইশাকে হেনস্তার ঘটনায় ২৪ নেতাকর্মীকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ। এর আগে এক নোটিশে বহিস্কৃত ইশাকে স্বপদে ফেরায় ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে করে তিনি এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে মুন বলেন, কবি সুফিয়া কামাল হলের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু সেই তদন্ত কমিটি আমার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি। আমার কোনো বক্তব্যও নেয়নি। ফলে আমি দোষী না নির্দোষ বা আমি কি দোষ করেছি তা নিয়ে অন্ধকারে রয়েছি।

ঘটনায় প্রকৃত যারা দোষী আমি তাদের শাস্তি দাবি করছি। কিন্তু যে ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই সেখানে একটি অসম্পূর্ণ তদন্ত আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে অগঠনতান্ত্রিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে জাতির জনক ও শেখ হাসিনার আদর্শের ছাত্রলীগ নিয়ম না মেনে আমাকে কীভাবে বহিষ্কার করা হলো তার জবাব বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে দিতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি ঘটনার সময় হলেই ছিলাম না। দীর্ঘ এক বছর ধরে হলের বাইরে আছি। কীভাবে আমার সম্পৃক্ততা পেয়েছে আমি জানি না। একটি মেয়ে ভারতে থেকেও বহিষ্কার হয়েছে। অনেকের বিভাগের নাম ভুল রয়েছে। অনেকের পূর্ণ নাম উল্লেখ করা হয়নি। তাহলে কীভাবে কমিটি তদন্ত করলো?

উল্লেখ্য, ইশাকে হেনস্তার ঘটনায় ২৪ নেতাকর্মীকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ। এর আগে এক নোটিশে বহিস্কৃত ইশাকে স্বপদে ফেরায় ছাত্রলীগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here